নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালে চাল, চিনি, পেয়াঁজ ও গোলআলুর দাম স্থিতিশীল থাকলেও গত দিন পনের যাবত আটা ও ময়দার দাম সর্বকালের রেকর্ড অতিক্রম করায় নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর দূর্ভোগ এখন সীমার বাইরে।
বরিশালের বাজারে এখন প্রতিকেজি খোলা আটা বিক্রী হচ্ছে ৫০-৫২ টাকায়। খোলা ময়দার কেজি ৭০-৭৫ টাকা। তবে প্যাকটজাত আটা ৬০ টাকায় বিক্রী হলেও প্রতি কেজি প্যাকট ময়দা বিক্রী হচ্ছে ৮০ টাকায়।
অথচ খোলা বাজারে বিক্রী কার্যক্রমের আওতায় গত অর্থ বছরেই শুধু বরিশাল মহানগরীতেই প্রতিদিন ৩০ টন করে আটা খোলা বাজারে বিক্রী করছে সরকার। যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
অবশিষ্ট ৫টি জেলা সদরেও প্রতিদিন ২৬ জন ডিলারের মাধ্যমে ২৬টন করে আটা বিক্রী করছে খাদ্য অধিদপ্তরে। এমনকি গত অর্থ বছরে বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলায় খাদ্য বিভাগ থেকে ১৫ হাজার টন আটা বিক্রী করা হয়েছে।
এখনো প্রতিদিন বরিশাল মহানগরীতে ২০ জন ডিলার তাদের দোকানে এবং ১০জন ডিলার ট্রাক যোগে ৩০টন আটা বিক্রী করছেন। এমনকি বরিশাল বাদে অপর ৫টি জেলা সদরেও প্রতিদিন ২৬ জন ডিলার ১ টন করে আটা বিক্রী করছেন।
প্রতিদিন শুধু খাদ্য বিভাগ থেকে খোলা বাজারে ৫৬ টন বা ৫৬ হাজার কেজি আটা ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রী করার পরেও এ মূল্য বৃদ্ধিকে সিন্ডিকেটের কারসাজী বলে মনে করছেন বাজার পর্যবেক্ষকগন। অথচ খাদ্য বিভাগের গুদাম সহ খোলা বাজারেও আটা-ময়দার কোন ঘাটতি নেই। নতুন অর্থ বছরে এ খাদ্যপণ্যের আমদানীর ওপর নতুন কোন কর আরোপও করা হয়নি।
তবে এসব কিছুর পরেও অত্যন্ত জরুরী এ খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি খুব কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রনের দাবী করেছেন বাজার পর্যবেক্ষকগন। পাশপাশি খাদ্য অধিদপ্তরের ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় উপজেলা পর্যায়েও আটা বিক্রী কার্যক্রম সম্প্রসারনের দাবী জানান হয়েছে।