1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
দিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে আটক শতাধিক - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাকেরগঞ্জে ১০০ ফুটের সেতু ৫ বছর ধরে মরণফাঁদ, কাঠের মাচায় ঝুলছে দুই ইউনিয়নের ভাগ্য দিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে আটক শতাধিক অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করল গ্রিস গরুর কথা বলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি, কসাইয়ের কারাদণ্ড চাঁদপুরে গ্রামীণ ব্যাংক ভবনে দুর্বৃত্তের আগুন, থানায় অভিযোগ সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর উদ্যোগে ‘চাকরি মেলা’, ৮০টি প্রতিষ্ঠানে মিলবে তাৎক্ষণিক চাকরি নাস্তা কম দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধর, ৯ দিন পর মৃত্যু বল প্রয়োগ করলে ফ্যাসিবাদী, না করলে দুর্বল: আইজিপি বরিশালে লক্ষ্মীর হাটে প্রতিমা-কলাগাছ কিনতে ভক্তদের ভিড় এই সংসদের মূল্য দুই আনাও নেই, ৫ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: নাহিদ ইসলাম

দিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে আটক শতাধিক

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ও ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ছাত্রসংগঠন ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা। শুক্রবারের এ বিক্ষোভ থেকে ১৫০ জনের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতীয় বার্তাসংস্থা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’ নামের নাগরিক সমাজের একটি জোটের দিল্লি সমন্বয় কমিটি এ বিক্ষোভের ডাক দেয়। এতে যোগ দেন সিপিআই(এম) নেত্রী বৃন্দা কারাত, সিপিআই নেতা পি সান্দোষ এবং অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক উইমেনস অ্যাসোসিয়েশন (এআইডিডব্লিউএ) ও অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের (এআইডিএসও) সদস্যরা।

বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, এআইএসএর সভাপতি নেহা, অভিনেতা প্রকাশ রাজ এবং ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (বিকেইউ) প্রধান রাকেশ টিকায়েতকেও।

শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে দিল্লির গোল ডাকখানা এলাকায় কালিবাড়ি মার্গ ও ভাই বীর সিং মার্গের সংযোগস্থলে প্রায় ৩০০ মানুষ জড়ো হন। তাদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে লেখা ব্যানার।

পরে বিক্ষোভকারীরা গুরুদুয়ারা বাংলা সাহিবের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান। নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ও যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থল ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। ওই এলাকায় এক হাজারের বেশি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। বিভিন্ন স্থানে বসানো হয় ব্যারিকেড।

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের দিকে যেতে না পেরে বিক্ষোভকারীদের অধিকাংশ বাংলা সাহিবের কাছের একটি গোলচত্বরে অবস্থান নেন। সেখানে তারা ‘জনতার সংসদ’ নামে একটি অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

বেলা ৩টার দিকে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের আটক করতে শুরু করে। বিক্ষোভকারীরা বাবা খড়ক সিং মার্গের দিকে এগিয়ে গেলে পুলিশ প্রথমে তাদের সরে যেতে বলে। তবে বিক্ষোভের কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে থাকায় পরে আটক অভিযান শুরু হয়। প্রথম দিকে এআইএসএ ও কেওয়াইসির নারী বিক্ষোভকারীদের একটি দলকে আটক করা হয়।

আটক অভিযান জোরদার হলে কয়েকজন বিক্ষোভকারী বাসের ছাদে উঠে পড়েন। এক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত তিনটি বাস আটক ব্যক্তিদের দিয়ে পূর্ণ হয়ে যায়। পরে তাদের বিভিন্ন আটককেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ওই এলাকার অধিকাংশ স্থান বিক্ষোভকারীমুক্ত করা হয়।

‘পিপল এগেইনস্ট এসআইআর’ তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, দেশজুড়ে ১৪৫টি সংগঠন আগামী দিনগুলোতে ৮৮টি শহরে আরও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবরের পর এটিই ছিল সংগঠনটির প্রথম বড় বিক্ষোভের ডাক। ওই দিন অভিজিৎ দীপকে দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘তিরঙ্গা লেহরা দো’ বা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানিয়ে একটি মিছিলের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই কর্মসূচির শেষেও এআইএসএর সভাপতি নেহাসহ ১০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল।

এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে গত ২ থেকে ১৫ অক্টোবর দিল্লিতে ধারাবাহিক বিক্ষোভের ঘটনায় দায়ের করা ৫৭টির বেশি মামলা দিল্লি পুলিশের অপরাধ শাখায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব মামলায় রাজনৈতিক নেতা, সিজেপি ও এআইএসএর সদস্য এবং অন্যান্য কর্মীর নাম রয়েছে। এক জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় দায়ের করা সব মামলাই অপরাধ শাখায় পাঠানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় ‘প্রযুক্তিগত বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত’ এবং ‘পুঙ্খানুপুঙ্খ জিজ্ঞাসাবাদ’ প্রয়োজন।

মামলাগুলোর মধ্যে ১০টির বেশি পুলিশের সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগসংক্রান্ত। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাও রয়েছে। এ ছাড়া গুরুদ্বার বাংলা সাহিবে প্রবেশের অভিযোগে কয়েকজন বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা ব্যবস্থাপনা কমিটির করা একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিয়ে গুরুদুয়ারার পবিত্রতা ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ধর্মীয় স্থানটিকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।

পুলিশ সূত্রের দাবি, রাজধানীতে ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভ চলাকালে নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা অন্তত তিনটি এফআইআরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রার নাম রয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, এসব মামলায় নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা এবং তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।

অন্য মামলাগুলোর মধ্যে নিষেধাজ্ঞা অমান্য, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএস) ১৬৩ ধারা লঙ্ঘন, ব্যারিকেড ভাঙা, পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে জাতপাতভিত্তিক গালিগালাজ এবং দাঙ্গার অভিযোগ রয়েছে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে সিসিটিভি ফুটেজ, পুলিশ কর্মকর্তাদের শরীরে থাকা ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিও এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও খতিয়ে দেখা হবে।

এসআইআর প্রক্রিয়া ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যে নতুন করে বিক্ষোভ এবং একাধিক মামলা দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network