লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় বিয়ের আশ্বাসে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পর অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠেছে মো. সাব্বির হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরের বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্বামীর সংসার হারানোর শঙ্কায় পড়েছেন ওই গৃহবধূ। তবে এরপর থেকে অভিযুক্ত ওই কিশোর আত্মগোপনে রয়েছে। কিশোর মো. সাব্বির হোসেন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটদরুণ এলাকার পোনার বাড়ির বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে। সে সরকারি শাহবাজপুর কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে ওই বাড়ির দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর সঙ্গে সাব্বিরের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই গৃহবধূর সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে সাব্বির।
এ সময় বিভিন্ন কথোপকথনের অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে রাখে সে। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে বারবার শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করা হয়।
এদিকে, এ ঘটনার জেরে ওই গৃহবধূকে তালাক দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার স্বামী। এতে স্বামীর সংসার হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তিনি। যার জন্য সাব্বিরকেই এখন তাকে বিয়ে করতে হবে বলে দাবি করেছেন ওই গৃহবধূ।
এ বিষয়ে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। অন্যদিকে, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। কিশোর সাব্বিরের বাবা মো. বজলুর রহমান বলেন, স্থানীয় নেতারা ঘটনাটি মীমাংসা করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।
ফয়সালায় যে সিদ্ধান্ত হবে, তা মেনে নেবো। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। তারপরও ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।