নিজস্ব প্রতিবেদক: অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে টাকা উত্তোলনের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর দপ্তর) আব্দুল হান্নান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত সোমবার (৬ জুলাই) বিএমপি সদর দপ্তরের উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল হান্নান এ সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করেন। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন-বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) হিসাব শাখায় কম্পিউটার হিসেবে কর্মরত মো. মারুফ হাসান, নন-গেজেটেড ভ্রমণ ব্যয় বিল শাখার কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদার এবং মেট্রো কোর্ট পুলিশের কনস্টেবল মো. সজীব মিয়া।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) হিসাব শাখার তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, কনস্টেবল মো. সজীব মিয়া যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই আইবাস প্লাসের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনহীনভাবে ভুয়া বিল সৃজন ও দাখিল করে। পরবর্তীতে টিএ বিল সেকশনের কনস্টেবল মো. মারুফ হাসান ও কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদারের যোগসাজশে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তার আইডি ব্যবহার করে ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৪ টাকা কনস্টেবল মো. সজীব মিয়ার কমিউনিটি ব্যাংকের আকাউন্টে পরিশোধ পূর্বক তিনজনে একসাথে আত্মসাত করে।
বিষয়টি ক্ষমার অযোগ্য গর্হিত অপরাধ হওয়ায় বিভাগীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি কাজের জন্য চাকুরি বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বিধিমালা অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন এবং বিএমপি লাইন্সে সংযুক্ত থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলবেন। উপ-কমিশনার আব্দুল হান্নান বলেন, অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তিনজনকে আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।