এবার বরিশাল মহানগর আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে মালামাল লুঠপাটের মামলা!

Barisal Crime Trace
প্রকাশিত মে ১৬ রবিবার, ২০২১, ০৬:০৭ অপরাহ্ণ
এবার বরিশাল মহানগর আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে মালামাল লুঠপাটের মামলা!

শামীম আহম্মেদ ॥ বরিশাল নগরীর জিলা স্কুল সংলাগ্ম শহীদ নজরুল ইসলাম সড়কের অভিযাত ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বরিশাল ফ্যাশন হাউজ ও দ্যা কিচেন চাইনিজ রেষ্টুরেন্টের গভীর রাতে তালা ভেঙ্গে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম সহ আরো অজ্ঞাত বিশ পচিঁশ জন একদল সন্ত্রাসী লুঠপাটের মাধ্যমে বিভিন্ন মালামাল সহ শাড়ি[ কাপড় এবং দ্যা কিচেন চাইনিজ রেষ্টুরেন্টের ফ্রিজ ইলেকট্রকিন সহ ২৭ লক্ষ টাকার দামি কাপড় ইলেকটনিক্স মালামাল রাতের আধারে গাড়ী ভর্তি নিয়ে যায়।

 

 

এঘটনায় আজ রোববার বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ’র আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন বিসিসি ১২ নং ওয়ার্ডের একাধিকবারের কাউন্সিল ও দুই বারের প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব কে,এম শহিদুল্লাহ।

 

 

মামলার বিবরনে বাদী কে,এম শহিদুল্লাহ অভিযোগ করেন, গত (১২ই) মে বুধবার রাত ১০ থেকে ১২ টার মধ্যে এই দুই ঘন্টায় তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বরিশাল ফ্যাশন হাউজ ও দোতলায় দ্যা কিচেন চাইনিজ রেষ্টেুরেন্টের তালা ভেঙ্গে মালামাল লুঠপাটের মাধ্যমে নিয়ে যায়।

 

 

তিনি আরো অভিযোগ করেন, সে দীর্ঘদিন যাবত উক্ত এলাকায় সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কিছুদিন যাবত অভিযুক্ত লুঠপাটকারী সন্ত্রাসী আসামীরা অত্যন্ত অসৎ অবৈধ অস্ত্রধারী,সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দ্বারা নিরিহ মানুষদের সম্পদ কেড়ে নেওয়া পেশা।

 

 

১নং আসামী তৌহিদুল ইসলাম প্রওায় সময় আমার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দখল করার হীন মানসিকতায় লিপ্ত হয়ে অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।

 

 

বাদী এর প্রতিবকাদ করার জেড় হিসাবে আসামীরা ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন œ সময়ে আক্রোশ মূলক কার্যক্রম করিতে থাকে। বর্তমান বৈশ্বিক কভিড (১৯) করোনাকালে ও লক ডাউন থাকায় কর্মচারীদের ছুটি দেওয়া হয়। এবং সেই থেকে বেশ কিছুদিন যাবত ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানের তালা ভেঙ্গে এই লুঠপাটে তান্ডব চালিয়ে আমার লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল রাতের আধারকে কাজে লাগিয়ে তার বাহিনীদেরকে সাথে করে নিয়ে যায়।

 

 

রাতে এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুঠপাট চলছে সংবাদ পেয়ে ছুটে আসলে দুর থেকে হামলা ও লুঠপাটকারীরা স¯্রস্ত্র অবস্থা থাকার কারনে কাছে যেতে নিরাপত্তাহীন মনে করায় ফিরে আসতে হয়।

 

 

এঘটনা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সিটি কর্পোরেশনের ব্যবহত সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেন।

 

 

তিনি আরো মামলায় উল্লেখ্য করেন পবিত্র ঈদুল ফিতরে সরকারী ছুটি থাকার কারনে আদালতে মামলা করতে বিলম্বিত হয়েছে।

 

 

বিজ্ঞ আদালতের বিচারক অভিযোগ গ্রহন করে কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দিয়েছিন।

 

 

এব্যাপারে মহানগর অর্থ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বাদী যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়। আমি যদি দলবল নিয়ে লুঠপাটের তান্ডব চালিয়ে থাকি তাহলেতো ওই এলাকার মানুষের চোখে পড়ার কথা।

 

 

তিনি বলেন শহিদের সাথে তার বছরের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ৫ বছরের চুক্তিনামা রয়েছে সেই চুক্তিনামা শেষ হলে আমি তাকে উকিল নোটিস করেছি।

 

 

এছাড়া তার কাছে আমি প্রতিমাসে ৮০ হাজার টাকা করে ১৪ মাসের ভাড়ার টাকা পাওয়া রয়েছে। অন্যদিকে বিদ্যুতের বিল বকেয়া পড়েছে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।

 

 

তিনি এসকল টাকা আত্বসাৎ করার লক্ষেই আমার বিরুদ্ভে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।




আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি বরিশাল ক্রাইম ট্রেস”কে জানাতে।
ই-মেইল করুনঃ[email protected]