1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
পটুয়াখালীতে সড়ক নেই, তবু ৭০ লাখ টাকার কালভার্ট - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা: প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ভিপি নুরের ভয়কে পেছনে রেখে সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান : প্রধান উপদেষ্টা ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ৩০ বরিশালের ৩টি আসন : সন্ত্রাসী আতঙ্কে ভোটার-প্রার্থী নির্বাচনী কাভারেজ নিয়ে অনিশ্চয়তায় বরিশালের সাংবাদিকরা! মেহেন্দীগঞ্জে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১২, পাল্টাপাল্টি মামলা ভোটের আগে রণক্ষেত্র বরিশালের নির্বাচনী মাঠ : মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত বরিশাল সদর-৫, অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও জোট রাজনীতিতে চাপে হেভিওয়েট প্রার্থীরা পাথরঘাটায় জামায়াত নেতার ২ পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে বরিশাল-১: লড়াই ত্রিমুখী, ৩ ফ্যাক্টরে নির্বাচিত হবে এমপি

পটুয়াখালীতে সড়ক নেই, তবু ৭০ লাখ টাকার কালভার্ট

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২ আগস্ট, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পটুয়াখালীর দুমকিতে রাস্তাহীন এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে পরপর দুটি বক্স কালভার্ট। খাল ও নালার ওপর স্থাপিত এই অবকাঠামোগুলোর আশপাশে কোনো সংযোগ সড়ক না থাকায় জনসাধারণের চলাচলে এসবের কোনো ব্যবহারই হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে এই প্রকল্পের উপকারভোগী আসলে কে।

জানা গেছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস (পিআইও) থেকে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের সাতানী গ্রামে ৬৯ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয়ে দুটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়। একটি কালভার্টে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা, আর মাত্র ৫০ মিটার দূরেই অপরটি নির্মাণে ব্যয় দেখানো হয়েছে প্রায় ৩৭ লাখ টাকা। দুটি প্রকল্পই বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রুকাইয়া ট্রেডার্স।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এলাকাজুড়ে সড়কই নেই—কালভার্টগুলো তাই অচল অবকাঠামোয় পরিণত হয়েছে। সাতানী গ্রামের ইউসুফ হাওলাদার ও আবুল বাসার বলেন, এই কালভার্টগুলো আমাদের কোনো কাজে লাগে না। স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদারের ব্যক্তিগত মসজিদ কমপ্লেক্সের সুবিধার্থেই এগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।

ঠিকাদার মেহেদী হাসান রোহান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নির্দেশনাতেই কাজ করেছি। সব কিছু টেন্ডার অনুযায়ী হয়েছে। পিআইও মোহাম্মদ আলী বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, স্থানীয় এমপির প্রকল্প হওয়ায় আমাদের কিছু করার ছিল না। আমরা শুধু কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ করিয়েছি।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network