লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে এ বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের ভোলা জেলা আহ্বাায়ক অধ্যক্ষ আবু জাফর মো. মাইনুদ্দিন, উপজেলা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব মো. আলমগীর হোসেন, উপজেলা বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সহ-সভাপতি মাওলানা মো. নেছার উদ্দিনসহ আরো অনেকে। এছাড়া এই প্রতিবাদ সমাবেশে লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, সহপ্রধান, শিক্ষক ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, গত ৩০ নভেম্বর একটি পত্রিকায় ‘মিনিস্ট্রি অডিটে ঘুষের রেট এক মাসের বেতন। বছরে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের লেনদেন।’ ওই পত্রিকার সংবাদটি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজি। যার ফলে মন্ত্রণালয় থেকে মিনিস্ট্রি অডিটের নিয়ম ভঙ্গ করে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজির প্রতিষ্ঠানে অডিটের জন্য ৪ সদস্য কমিটি এবং দুইদিনব্যাপী অডিট করা সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়। বিষয়টি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে বক্তারা মনে করেন।
বক্তারা আরো বলেন, আমরা মিনিস্ট্রি অডিটের বিপক্ষে না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগে মিনিস্ট্রি অডিট হতো দশ বছর পরপর এবং একই উপজেলার একত্রে আট থেকে দশটি শিক্ষ প্রতিষ্ঠানে এবং দুইজন কর্মকর্তা একদিনে দুই তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অডিট করতেন। কিন্তু অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজির প্রতিষ্ঠানটিতেই কেবল অডিট করবেন চারজন কর্মকর্তা। তবে এরআগে ওই প্রতিষ্ঠানটিতে ২০১৯ সালে মিনিস্ট্রি অডিট করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী পুনরায় ২০২৯ সালে অডিট হওয়ার কথা। যা না মেনে ২০২৫ সালে মিনিস্ট্রি অডিট করা আমাদের কাছে দুরভিসন্ধিমূলক মনে হচ্ছে। যদি কোনো দুরভিসন্ধিদমূলকভাবে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজির প্রতিষ্ঠান অডিট করা হয়, তাহলে এর চেয়ে আরো কঠিন আন্দোলনের হুঁশিয়ারীও দেন বক্তারা।