1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
পটুয়াখালীতে হাট-বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রাতের অন্ধকারে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে সাঁতরে বাঁচালেন পুলিশ সদস্য ওষুধ চুরির সময় ধরা, ১০০ রাকাত নামাজ পড়ে ছাড়া পেলেন যুবক কক্সবাজার সৈকতে নেমে এক পর্যটকের মৃত্যু নেপালে বন্যায় বহু প্রাণহানি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক নেপালের বন্যায় ৯৫ মরদেহ উদ্ধার, ভারতেও বন্যার শঙ্কা সবুজ হাওলাদারের জানাজা সম্পন্ন, মায়ের জন্য পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ বাবুগঞ্জে ১৫ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, ৬ মাসের কারাদণ্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্রদল নেতা ও মহিলা দল নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন গলাচিপায় ১৭টি সন্ধি কচ্ছপসহ ১ জন আটক, বন বিভাগের অভিযান পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, নওশেরের বিরুদ্ধে দুদক ও বিএমপিতে অভিযোগ

পটুয়াখালীতে হাট-বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর সদর উপজেলার আওলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদে হাট-বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভুয়া সিপিসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠন করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ফরিদের বিরুদ্ধে।

 

এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ ও মাটি ভরাট কাজের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করা হয় অনিয়মের মাধ্যমে। প্রকল্পটির সিপিসি হিসেবে প্রথমে দায়িত্বে ছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফারুক মেম্বার। তবে গত ৫ আগস্টের পর তিনি গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেলে তার অনুপস্থিতির সুযোগ নেয় ইউপি সচিব।

 

অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য লিপি আক্তারকে না জানিয়ে তাকে সিপিসি দেখিয়ে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এরপর ইউপি সচিব মো. ফরিদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহকারী ইরানি ও আতিকের যোগসাজশে প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার টাকার একটি চেক উত্তোলন করা হয়।

 

এ বিষয়ে লিপি আক্তার বলেন, “আমাকে সিপিসি করা হয়েছে-এটা আমি নিজেই জানতাম না। আমি কোনো কাজ করিনি। সচিব আমাকে জানায় আমার অ্যাকাউন্টে টাকা গেছে। পরে আমি ব্যাংক থেকে টাকা তুলে সচিবের কাছে দিয়ে দিয়েছি।” স্থানীয়দের অভিযোগ, শুধু এই প্রকল্পই নয়, এই চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

 

এ বিষয়ে ইউপি সচিব ফরিদ হোসেন বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি  সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল নাহার বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় গুনজন সৃষ্টি হয়েছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network