1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
শেবাচিমে শয্যা সংকটে শিশু ওয়ার্ডে ঠাঁই নেই : সেবা দিতে হিমসিম - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
অটোরিকশা আটকের পর চালকের ধাক্কায় ট্রাফিক পুলিশের মৃত্যু বরগুনায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলায় আহত ৬ ডিবি পুলিশ বাউফলে সাইবার মামলায় উপ-খাদ্য পরিদর্শক কারাগারে চরফ্যাশনে যুবদল নেতার নেতৃত্বে ২ জামায়াত নেতাকে হাত-পা বেঁধে  মধ্যযুগীয় নির্যাতন ‘অর্থের বিনিময়ে’ এসএসসি পরীক্ষার্থীর খাতা লিখে দিচ্ছিলেন শিক্ষকরা অনলাইন সেবায় এসেছে বিসিসির পানি সরবরাহ বিভাগ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চালু হচ্ছে হেমাটোলজি ডে কেয়ার ইউনিট গলাচিপায় এনএসআই ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ৫০ লক্ষ রেনুপোনা জব্দ, ট্রাক আটক ভোলায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষককে পুরস্কার প্রদান ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সচেতনতামূলক রেলী আয়োজন 

শেবাচিমে শয্যা সংকটে শিশু ওয়ার্ডে ঠাঁই নেই : সেবা দিতে হিমসিম

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে মেঝেতেও এখন পা রাখার স্থান ফাঁকা নেই। দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ সরকারি এ চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানটির ৭০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিন গড়ে ৪শ’ রোগী চিকিৎসাধীন থাকায় এখানের পুরো স্বাস্থ্য সেবাই ভেঙে পড়ার উপক্রম। ধারণক্ষমতার প্রায় ৫ গুন রোগী চিকিৎসাধীন থাকার পাশাপাশি এ ওয়ার্ডটির জন্য বরাদ্দকৃত জনবলও অপ্রতুল। শিক্ষানবীস কিছু চিকিৎসকই মূলত এ ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সেবার মূল ভরসা বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ হজার শয্যার শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে শনিবার প্রায় ৪শ’ রোগী চিকিৎসাধীন ছিল। এরমধ্যে হাম উপসর্গ নিয়েই ভর্তি ছিল প্রায় ১৬০টি শিশু। হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে এক চরম অমানবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

প্রতিষ্ঠার প্রায় ৬০ বছর পরেও এ হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে কোনো ভেন্টিলেটর স্থাপন করা হয়নি। কিছু ইনকিউবেটর থাকলেও তার বেশির ভাগই দীর্ঘদিনের পুরনো। এমনকি ৫ যুগ পরেও শিশু ওয়ার্ডের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির কোনো উপায় নেই। অপরদিকে এ হাসপাতাল থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দুরে আমানতগঞ্জ এলাকায় গত ৮ বছর ধরে একটি শিশু হাসপাতাল ভবনের নির্মাণকাজ চললেও তা কবে পরিচালনক হবে সে বিষয়টি এখনো অজ্ঞাত। এখনো এ হাসপাতালের কোনো সরঞ্জাম সংগ্রহসহ জনবল মঞ্জুরি হয়নি। নির্মিত হয়নি বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন। বসেনি লিফট।

তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঐ শিশু হাসপাতালটির দায়িত্ব গ্রহণের কথা বলা হলেও জনবলের অভাবসহ ইলেক্ট্রোমিডিকেল ইকুইপমেন্টসহ অন্যান্য সরঞ্জাম এবং বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বিষয়টি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি পৃথক একটি শিশু হাসপাতাল হিসেবে নির্মিত এ প্রতিষ্ঠানটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করলে তা আর ভিন্ন কোনো হাসপাতাল থাকবে, নাকি মূল হাসপাতালের ওয়ার্ড হিসেবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়টিও পরিস্কার করা হয়নি মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে।

আর মূল হাসপাতাল থেকে এ শিশু হাসপাতালের দুরত্ব প্রায় ৬ কিলোমিটার হওয়ায় সেখানে নজরদারী সহ কলেজে ক্লাস নিয়ে কোন অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপকের পক্ষে ঐ হাসপাতালে গিয়ে রোগী দেখা অত্যন্ত দুরুহ হয়ে পড়বে। এমনকি মেডিকেল কলেজের ছাত্রÑচাত্রীদের পক্ষেও এত দুরে হাসপাতালটিতে গিয়ে হাতে কলমে শিক্ষা গ্রহন কতটুকু সম্ভব হবে তা নিয়েও সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।

অপরদিকে গত প্রায় ৮ বছর ধরে নির্মনাধিন এ শিশু হাসপাতাল স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কাছে হস্তান্তরের আগেই এর ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

এসব বিষয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মশিউল মুনিম’র সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, তার হাসপাতালের শিশু বিভাগে সব সময়ই মাত্রাতিরিক্ত রোগী থাকে। তার ওপর সাম্প্রতিক হাম উপসর্গ নিয়ে রোগীর আগমন আরো বেড়ে গেছে। প্রতিদিন হাম উপসর্গ নিয়ে গড়ে অর্ধ শতাধিক রোগী এ ওয়ার্ডে ভর্তি হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া অত্যন্ত দুরুহ হয়ে পড়ছে।

শিশু হাসপাতাল প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। আমরা সার্বিক বিষয় অবহিত করেছি। পরবর্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network