1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে কীভাবে বাঁচবেন - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এমবিবিএস’র ফলাফলে সাউথ এ্যাপোলো মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের প্রশংসনীয় সাফল্য ভাণ্ডারিয়ায় সড়কে বালু ফেলে জনদুর্ভোগ, ৫১ হাজার টাকা জরিমানা ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় স্ত্রীর হামলায় স্বামী গুরুতর আহত: ঘটনাস্থল থেকে হাতুড়ির হাতল উদ্ধার পিরোজপুরে বিদ্যুতায়িত হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু ছাত্রদের দিয়ে খাতা মূল্যায়ন, মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ: শেখ হাসিনা ও রেহানার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রাঙ্গাবালীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গৃহবধূকে মারধর কলাপাড়ায় নদীতে জাল পাতাকে কেন্দ্র করে জেলেকে মারধরের অভিযোগ কলাপাড়ায় জাল-জালিয়াতির অভিযোগে কাজী কারাগারে তদবির-ঘুষ ছাড়া বরিশাল জেলা প্রশাসকের দপ্তরে ৫৭ জনের চাকরি

শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে কীভাবে বাঁচবেন

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

ইসলাম ডেস্ক : আমরা সবাই শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে চাই। নিরাপদ থাকতে চাই। কিন্তু প্রায়শই পড়তে হয় শয়তানের কুমন্ত্রণায়। তার ষড়যন্ত্রের জালে আবদ্ধ হয়ে জড়াতে হয় নানাবিধ অপরাধে। এতে আমাদের আমলের খাতায় লেখা হয় গোনাহ। ভারী হয় গোনাহের পাল্লা। এদিকে শয়তান নিজে সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.)-কে তার কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে একটি আয়াতের কথা জানিয়েছে। আয়াতটি হলো আয়াতুল কুরসি। এটি সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত।

হজরত মুহাম্মদ (সা.) একে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত বলেছেন। তিনি এই আয়াত দিনে-রাতে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সকালে এই আয়াত পড়লে সারাদিন শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বেঁচে থাকা যায়। সন্ধ্যায় এ আয়াত পড়লে সকাল পর্যন্ত শয়তান থেকে নিরাপদ থাকা যায়।

প্রয়োজনগ্রস্ত ও পরিবারের ভারগ্রস্ত লোক। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে নবী (সা.) বললেন, আবু হুরায়রা, তোমার গত রাতের বন্দির কি হলো? বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, সে তার অভাব-অনটন ও পরিবারের ভারগ্রস্ততার কথা বলায় আমার দয়া জেগেছে। তাই তাকে ছেড়ে দিয়েছি। নবী (সা.) বললেন, সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে। সে আবারও আসবে।

ফলে আমার জানা হয়ে গেল, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বলেছেন আসবে, অবশ্যই সে আসবে। আমি তার অপেক্ষায় প্রস্তুত হয়ে রইলাম। এর মধ্যে সে এসে স্তুপকৃত খাদ্যবস্তু থেকে মুঠি ভরে নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে বললাম, তোমাকে আল্লাহর রাসুলের কাছে হাজির করবই। সে তখন বলতে লাগল, আমাকে ছেড়ে দিন। আমি তো অভাবী লোক, পরিবারের ভারগ্রস্ত, আর আসব না। তার এ কথায় আমার দয়া হলো। ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তোমার বন্দির কি হলো? বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, সে তার প্রচণ্ড অভাবগ্রস্ত ও পরিবারের ভারগ্রস্ততার কথা বলছিল, তাই আমার দয়া হয়েছে। তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তিনি বললেন, দেখ, সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে। সে আবারও আসবে।

তাঁর এ কথায় তৃতীয় রাতেও আমি অপেক্ষায় রইলাম। একপর্যায়ে সে এসে মুঠি ভরে খাদ্য নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে ফেলে বলি, এবার তোমাকে রাসুলুল্লাহর কাছে হাজির করেই ছাড়ব। এ নিয়ে তিনবার ঘটল যে, তুমি বলো, আসবে না। কিন্তু আবার আস। সে তখন বলল, আমাকে ছেড়ে দিন। আপনাকে এমন কিছু কথা শিখিয়ে দেব, যা দিয়ে আল্লাহ আপনাকে উপকৃত করবেন। বললাম, কী সেই কথা। সে বলল, যখন বিছানায় যাবেন তখন আয়াতুল কুরসি পড়বেন। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সকাল পর্যন্ত আপনার জন্য একজন রক্ষাকর্তা নিযুক্ত থাকবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে ভিড়বে না। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। সকালে রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, গত রাতে তোমার বন্দির কি হলো? বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, সে বলল যে, আমাকে এমন কথা কিছু কথা শিখিয়ে দেবে, যা দিয়ে আল্লাহ আমাকে উপকৃত করবেন। তাই তাকে ছেড়ে দিয়েছি।

জিজ্ঞেস করলেন, সে কথাগুলো কী? বললাম, সে বলেছে, যখন ?তুমি বিছানায় যাবে তখন আয়াতুল কুরসি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করবে। সে বলল, আল্লাহর পক্ষ থেকে সকাল পর্যন্ত তোমার জন্য এক রক্ষাকর্তা নিযুক্ত থাকবেন আর (সকাল পর্যন্ত) কোনো শয়তান তোমার কাছে ভিড়বে না। (সাহাবিরা তো কল্যাণের বিষয়ে খুবই লালায়িত ছিলেন)। নবী (সা.) বললেন, শোন, সে তোমাকে সত্যই বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যুক। এরপর বললেন, আবু হুরায়রা, তুমি কি জান পরপর তিন রাত কার সঙ্গে কথা বলেছ? তিনি বললেন, না। নবী (সা.) বললেন, সে ছিল এক শয়তান।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৩১১)

আয়াতুল কুরসির উচ্চারণ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম, তা তাখুজুহু সিনাতুও ওয়ালা নাওম। লাহু মা ফিস-সামা ওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান জাল্লাজি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বি ইজনিহ, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতুনা বি শাইইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ। ওয়া সিয়া কুরসিইহুস্ সামা ওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা ইয়াউদুহ হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিইয়ুল আজিম।

আয়াতুল কুরসির অর্থ

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও জমিন যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমিত ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পেছনে যা কিছু রয়েছে, সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোনো কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর কুরসি (সিংহাসন) সমস্ত আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network