জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত বরিশালের তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান
আপডেট সময় :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
জাতীয় সম্মাননায় ভূষিত বরিশালের তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান
বিশেষ প্রতিবেদক:: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্যোগে মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সুবিচারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় সম্মাননা ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন ঝালকাঠির তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান। এক দশকের বেশি সময় ধরে স্বেচ্ছাসেবামূলক ও সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে আরিফুর রহমান এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আরিফুর রহমান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা, পরিবেশ...
বিশেষ প্রতিবেদক:: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্যোগে মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সুবিচারে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় সম্মাননা ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেয়েছেন ঝালকাঠির তরুণ সংগঠক আরিফুর রহমান। এক দশকের বেশি সময় ধরে স্বেচ্ছাসেবামূলক ও সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা অর্জন করেন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে আরিফুর রহমান এ পুরস্কার গ্রহণ করেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ ও সমাজ উন্নয়নে অবদানের জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ইয়ুথনেট গ্লোবালের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আরিফুর রহমান। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা, পরিবেশ শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং তরুণদের সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক দশক ধরে কাজ করছেন তিনি।
২০১৬ সালে বরিশালের মান্তা জনগোষ্ঠীর মানুষের জীবনসংগ্রাম কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা বদলে দেয় আরিফুর রহমানের জীবনের গতিপথ। জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের অভাব, চিকিৎসাসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকার এবং সন্তানদের শিক্ষার অনিশ্চয়তা তাঁকে প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই শুরু হয় তাঁর স্বেচ্ছাসেবামূলক পথচলা।
বরিশালে প্লাস্টিকদূষণ ও কীর্তনখোলা নদী রক্ষায় উদ্যোগ বরিশাল অঞ্চলের পরিবেশ সংরক্ষণে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং কীর্তনখোলা নদীর দূষণ রোধে কাজ করছেন আরিফুর রহমান। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে সচেতনতামূলক ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি ।
মান্তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ
বরিশাল অঞ্চলের মান্তা জনগোষ্ঠীর অনেক পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম নৌকায় বসবাস করে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় এসব পরিবারের অনেক সদস্যের জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সমস্যা হয়। ফলে শিক্ষা, চিকিৎসা, সরকারি সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁদের নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়।
মান্তা জনগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আরিফুর রহমান প্রথমে সাক্ষরতা, স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে তাঁদের নাগরিক অধিকার, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার বিষয়েও কাজ শুরু করেন।
ইয়ুথনেট গ্লোবালের ‘মান্তাকানেক্ট’ উদ্যোগের মাধ্যমে এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে। মান্তা জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সাক্ষরতা এবং সঞ্চয়ের সুযোগ তৈরিতে কাজ করছে সংগঠনটি। এ উদ্যোগে আরিফুর রহমান কর্মশালা পরিচালনা ও স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।পাশাপাশি ৩০০ মান্তা সদস্যকে আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আসেন।
ইয়ুথনেট গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় মান্তা জনগোষ্ঠীর জন্য কবরস্থানের জমির ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও অধিকারভিত্তিক প্রচেষ্টা ভূমিকা রেখেছে। স্থায়ী বসতি না থাকা পরিবারগুলোর জন্য এটি দীর্ঘদিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। দুর্যোগে মানবিক সহায়তা ও জীবিকা উন্নয়ন প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরিফুর রহমান। যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত থাকার সময় ২০২০ সালে করোনা মহামারিতে কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় কাজ করেন তিনি। তরুণদের সঙ্গে কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেন সংকটে থাকা পরিবারগুলোর কাছে।
ঘূর্ণিঝড় আম্পান এবং পরবর্তী বিভিন্ন বন্যায় ফেনী, সিলেট, কুড়িগ্রাম, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রংপুরের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাদ্য, চিকিৎসা ও জরুরি সামগ্রী বিতরণেও অংশ নেন তিনি।
দুর্যোগকালীন জরুরি সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার ও জীবিকার সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্ব দিয়েছেন আরিফুর রহমান। ২০২২ সাল থেকে কুড়িগ্রামে ইয়ুথনেট গ্লোবালের ‘চর ইয়ুথনেট কমিউনিটি’ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। এ উদ্যোগের মাধ্যমে চরাঞ্চলের ৯৫টি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের আশ্রয়, জীবিকা ও জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে কাজ চলছে।
পরিবেশ শিক্ষায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী
শিশু-কিশোর ও তরুণদের মধ্যে পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা তৈরিও আরিফুর রহমানের কাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। ইকো অলিম্পিয়াড বাংলাদেশের আয়োজন ও সমন্বয়ে তাঁর ভূমিকা রয়েছে। আয়োজকদের হিসাবে, বরিশাল অঞ্চলে এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী। এসব কার্যক্রমে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশদূষণ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ পেয়েছে তারা।
ঝালকাঠির ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠা ইয়ুথ ক্লাইমেট ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ৩০০ শিক্ষার্থী ও ২০ জন শিক্ষক। ক্লাবগুলোর সদস্যরা বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্লাস্টিকদূষণ প্রতিরোধে কাজ করছে।
এ ছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু সুবিচার ও ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ভূমিকা রেখেছেন আরিফুর রহমান। ইয়ুথনেট গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, সংগঠনটির এসব কার্যক্রমে দেশের ৫০টি জেলার প্রায় ১৫ হাজার তরুণ-তরুণী যুক্ত হয়েছেন। আরিফুর রহমান বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, তরুণরাই পারে সমাজ বদলাতে।” পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তরুণেরা যেন নিজেদের এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে স্থানীয় পর্যায় থেকেই সমাধানের উদ্যোগ নিতে পারে, সেটিই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
জলাভূমি পুনরুদ্ধার থেকে জলবায়ু সুবিচার জলাভূমি পুনরুদ্ধার, জলবায়ু সহনশীল জীবিকা, নারীর অধিকার এবং পরিবেশদূষণ প্রতিরোধের বিভিন্ন উদ্যোগেও যুক্ত রয়েছেন আরিফুর রহমান। ২০২৪ সাল থেকে ঢাকার নগর জলাভূমি পুনরুদ্ধারবিষয়ক ‘রি-ওয়েট’ প্রকল্পের ব্যবস্থাপনায় কাজ করছেন তিনি। এ প্রকল্পে জলাভূমি সংরক্ষণের পাশাপাশি কড়াইলের মতো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের পরিবেশবান্ধব জীবিকার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ রয়েছে।
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো নারীদের জীবনসংগ্রাম তুলে ধরতে ইয়ুথনেট গ্লোবালের ‘টাইগার উইডো’ উদ্যোগেও ভূমিকা রেখেছেন তিনি। অন্যদিকে ‘ইকো-মেন’ উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ পুরুষদের মধ্যে ক্ষতিকর সামাজিক ধারণা পরিবর্তন, পরিবারের যত্নের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া এবং নারীর নেতৃত্বকে সমর্থন করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে যুক্ত রয়েছেন আরিফুর রহমান।
শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সিসাদূষণ প্রতিরোধেও কাজ করছেন তিনি। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল দেশের ৬৪ জেলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, এসব কার্যক্রমে সরাসরি অংশ নেন দুই হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ এবং প্রশিক্ষণ পান তিন শতাধিক তরুণ সংগঠক।
স্থানীয় অভিজ্ঞতা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আলোচনায় স্থানীয় পর্যায়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রেখেছেন আরিফুর রহমান। জলবায়ু অর্থায়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলা, স্থানীয় নেতৃত্বে অভিযোজন এবং ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর নিয়ে ইয়ুথনেট গ্লোবালের বিভিন্ন উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করেছেন তিনি।
২০২৪ সালে ‘গ্লোবাল ডায়ালগ ফর ক্লাইমেট জাস্টিস’ উদ্যোগে বাংলাদেশসহ আট দেশের তরুণদের যুক্ত করার কাজে অংশ নেন আরিফুর রহমান। ঢাকায় জাতীয় যুব জলবায়ু সংলাপ আয়োজনেও তার ভূমিকা রয়েছে।
এসব উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা, সমস্যা ও দাবিকে বৃহত্তর জলবায়ু নীতিনির্ধারণী আলোচনায় তুলে ধরার চেষ্টা করছেন আরিফুর রহমান। স্বীকৃতির পরও সামনে অনেক কাজ জাতীয় পর্যায়ে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জনের আগে ২০২৫ সালে ঝালকাঠি জেলার শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছেন আরিফুর রহমান।
বিবিএ সম্পন্ন করে বর্তমানে এলএলবি পড়ছেন তিনি। আইনের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রান্তিক মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা তাঁর। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে তরুণদের সবুজ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। তরুণেরা যেন নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগ গড়ে তুলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে ভূমিকা রাখতে পারে, সে লক্ষ্যেও কাজ করতে চান তিনি।
তবে জাতীয় স্বীকৃতির পরও আরিফুর রহমানের ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছে বরিশালের সেই মান্তা পরিবারগুলো। এক দশক আগে যাঁদের জীবনসংগ্রাম তাঁকে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অনুপ্রাণিত করেছিল, তাঁদের শিক্ষা, চিকিৎসা, নাগরিক অধিকার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখনো অনেক কাজ বাকি।
সেই কাজ এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আরও তরুণকে সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগে যুক্ত করতে চান আরিফুর রহমান। জাতীয় পর্যায়ের এই স্বীকৃতিকে তিনি তাঁর দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন; আর সামনের দিনের লক্ষ্য, সেই কাজের সুফল আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়কারী সোহানুর রহমান বলেন, “আরিফুর রহমান মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে কখনো দয়া বা দান হিসেবে দেখেননি। তিনি কাজ করেছেন মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য। তাঁর এই অর্জন তরুণদের সামাজিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।
তিনি আরও বলেন, আরিফুর রহমানের এই স্বীকৃতি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সুবিচারের জন্য কাজ করা তরুণদের আরও উৎসাহিত করবে। মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।