1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
বরিশাল-৫ আসন: মুখোমুখি জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আসিম মুনিরের হাতে সর্বময় ক্ষমতা, কোন পথে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির চতুর্থ বার্ষিক কাউন্সিল-সভাপতি মোবারক,সম্পাদক খলিলুর রহমান চাচার লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ভাতিজার বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদী গর্ভে বিলীণের পথে বৈদ্যুতিক টাওয়ার : অন্ধকারে নিমজ্জিত হবেন লাখো মানুষ বানারীপাড়ায় সেবা সংঘ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন কাঁঠালিয়ায় খেলাধুলা কেন্দ্রিক বিরোধে ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ: ইউএনও’র কাছে বিচারের দাবি রোহিঙ্গা সংকটে অর্থনীতি ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী বাবুগঞ্জে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ রহমতপুরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপি নেতা তোফাজ্জেল হোসেন খান ‘বান্ধবীকে’ বিয়ের আশায় নারী থেকে পুরুষ হওয়ার চেষ্টা, অপারেশনের পর যুবতীর মৃত্যু

বরিশাল-৫ আসন: মুখোমুখি জামায়াত-ইসলামী আন্দোলন

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল-৫ (সদর) আসনকে ঘিরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও জামায়াতে ইসলামী এখন মুখোমুখি অবস্থানে। দুই দলই জোটের অংশ হলেও বরিশাল সদরের এই আসন নিয়ে তাদের মধ্যে এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে আসনটিকে ‘সাংগঠনিক কেন্দ্র’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দলটির সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তি আসনটিকে ‘আমিরের আসন’ মনে করেন। এ ছাড়া জোটের অন্য দলের এখানে প্রার্থী দিতে চাওয়ার যথার্থতা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তবে হাল ছাড়তে নারাজ জামায়াতে ইসলাম। দলটির এই আসনের প্রার্থী এখনো জোটের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থেকে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। কোনো দলই আসনটি ছাড় দিতে রাজি নয়।

এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল উভয়েই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা মাঠে নির্বাচনি কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।

উভয় দলের কর্মী ও সমর্থকদের ধারণা, শেষ পর্যন্ত আসনটি ইসলামী আন্দোলনের হাতে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বরিশাল-৪ আসন জামায়াতকে ছাড়তে হতে পারে। তবে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা জানান, বরিশাল-৪, ৫ ও ৬ আসন ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। বরিশাল-৫ আসনকে ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া বরিশাল-৪, ৫ ও ৬ আসন দলটির ‘আমিরের আসন’ হিসেবে গণ্য হয়। তারা দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিভাগের ২১টি আসনে ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান অনেক শক্তিশালী।

বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাইয়ের পীর সৈয়দ রেজাউল করিমের ছোট ভাই ও দলটির নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম। অন্যদিকে বরিশাল-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছেন তার ছোট ভাই ও দলটির সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের। ফলে এই তিনটি আসনের কোনোটি ছাড়তে রাজি নয় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

ফয়জুল করিম বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, সদর আসনটি তাদের ‘আমিরের আসন’। তিনি বলেন, ‘আমরা তো জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। বরিশালে আমাদের শক্ত ভিত্তি রয়েছে। অন্য কেউ জোটের হয়ে নির্বাচন করবে– এটি কি সম্ভব বা হওয়া উচিত?’

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা জানান, তারা বরিশাল-৫ আসন ছাড়তে নারাজ। দলের পক্ষ থেকে ফয়জুল করিমকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি রাজি হননি। ফলে বরিশাল-৫ আসনে জোটের সমঝোতা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির ছাড়া আর কেউ একাধিক আসনে মনোনয়ন দেয়নি। সুতরাং একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই থাকে। এখনো আলোচনা চলমান রয়েছে। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সদর আসনে জোটের সমঝোতা আসন্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি প্রার্থী দিলে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে সংঘাত দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে বরিশাল-৫ আসন জোটের স্বার্থে ছেড়ে দিলে দলের মধ্যে সমন্বয় আরও সহজ হতে পারে।

বিগত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, মুফতি ফয়জুল করিম ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১১.৩০ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। ২০০৮ সালে হাতপাখা প্রতীকে তিনি ১১.৬০ শতাংশ ভোট পান। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারান; হাতপাখা প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ছিল ২৭,০৬২। ২০২৩ সালের ১২ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৩৩ হাজার ৮২৮ ভোট পান।

অন্যদিকে বরিশাল সদর আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের সরাসরি শক্তিশালী অবস্থান ছিল না। ১৯৯১ সালের উপনির্বাচনে তাদের প্রার্থী আবুল হাসনাত মো. নুরুল্লাহ ৫ হাজার ৭০৪ ভোট পান। ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুয়াযযম হোসাইন হেলাল ৪ হাজার ৬৬৭ ভোট পান। এরপর আর কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত সরাসরি প্রার্থী দেয়নি।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network