1. diggilseba@gmail.com : admin :
  2. ashadul@barisalcrimetrace.com : Ashadul Islam : আসাদুল ইসলাম
  3. hafiz@barisalcrimetrace.com : barisal CrimeTrace : barisal CrimeTrace
  4. mahadi@barisalcrimetrace.com : মাহাদী হাসান : মাহাদী হাসান
যাকাত ফরজের কারণ ও তাৎপর্য - বরিশাল ক্রাইম ট্রেস
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
আসিম মুনিরের হাতে সর্বময় ক্ষমতা, কোন পথে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির চতুর্থ বার্ষিক কাউন্সিল-সভাপতি মোবারক,সম্পাদক খলিলুর রহমান চাচার লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ভাতিজার বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদী গর্ভে বিলীণের পথে বৈদ্যুতিক টাওয়ার : অন্ধকারে নিমজ্জিত হবেন লাখো মানুষ বানারীপাড়ায় সেবা সংঘ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন কাঁঠালিয়ায় খেলাধুলা কেন্দ্রিক বিরোধে ছাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ: ইউএনও’র কাছে বিচারের দাবি রোহিঙ্গা সংকটে অর্থনীতি ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী বাবুগঞ্জে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ রহমতপুরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপি নেতা তোফাজ্জেল হোসেন খান ‘বান্ধবীকে’ বিয়ের আশায় নারী থেকে পুরুষ হওয়ার চেষ্টা, অপারেশনের পর যুবতীর মৃত্যু

যাকাত ফরজের কারণ ও তাৎপর্য

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ইসলাম ডেস্ক : যাকাত শুধু দান নয়, এটি ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহর নির্দেশনায় এটি সম্পদ পবিত্রকরণে সাহায্য করে এবং সমাজের দরিদ্র মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে।

প্রতি বছর সামর্থ্যবান মুসলমানরা তাদের সঞ্চিত সম্পদের নির্দিষ্ট অংশ- সাধারণত ২.৫ শতাংশ- যাকাত হিসেবে প্রদান করেন। এর মাধ্যমে ব্যক্তির আত্মশুদ্ধি যেমন অর্জিত হয়, তেমনি সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্যও প্রতিষ্ঠিত হয়।

যদিও যাকাতের পূর্ণাঙ্গ বিধান মদীনায় প্রবর্তিত হয়, মক্কা যুগ থেকেই কুরআনে এর গুরুত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

আল্লাহ তাআলা সূরা আল-মু’মিনুন (২৩:১–৪)-এ ঈমানদারদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে গিয়ে নামাজের পাশাপাশি যাকাত প্রদানের কথা উল্লেখ করেছেন।

এতে বোঝা যায়, ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই যাকাত ঈমানের অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

আবার সূরা ফুসসিলাত (৪১:৬–৭)-এ যাকাত পরিত্যাগকারীদের জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, যা এই ইবাদতের গুরুত্ব আরও সুস্পষ্ট করে।

হিজরতের পর ২ হিজরীতে মদীনায় যাকাত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। তখন নিসাবের পরিমাণ, নির্দিষ্ট হার এবং যাকাতের উপযুক্ত প্রাপকদের শ্রেণিবিন্যাস নির্ধারণ করা হয়।

সূরা আত-তাওবা (৯:১০৩)-এ আল্লাহ নবীকে নির্দেশ দেন সম্পদ থেকে যাকাত গ্রহণ করে তা দ্বারা দাতাদের পবিত্র করতে।

একই সূরার ৯:৬০ নম্বর আয়াতে যাকাতের প্রাপকদের নির্দিষ্ট শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে- দরিদ্র, অভাবী, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর পথে নিয়োজিত ব্যক্তি এবং মুসাফিরসহ বিভিন্ন গোষ্ঠী।

এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, যাকাত শুধু ব্যক্তিগত দান নয়; এটি একটি সুসংগঠিত সামাজিক কল্যাণব্যবস্থা।

নবী করিম (সা.)-এর ইন্তেকালের পরও যাকাতের গুরুত্ব অক্ষুণ্ণ ছিল। যখন কিছু লোক যাকাত প্রদান থেকে বিরত থাকতে চেয়েছিল, তখন খলিফা আবু বকর (রাঃ) দৃঢ় অবস্থান নেন এবং ঘোষণা করেন যে নামাজ ও যাকাতকে পৃথক করা যায় না। সহীহ আল-বুখারী (হাদিস ১৩৯৯)-এ বর্ণিত এই ঘটনা প্রমাণ করে, যাকাত ইসলামের ভিত্তিগত স্তম্ভগুলোর একটি এবং এটি অবহেলা করার সুযোগ নেই।

আজকের বিশ্বে যাকাত গণনা ও বিতরণের পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন এলেও এর মূল উদ্দেশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে- সম্পদের পবিত্রতা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অভাবগ্রস্তদের সহায়তা।

কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশনা অনুযায়ী, যাকাত আদায় ও বণ্টনের মাধ্যমে মুসলিম সমাজে সহমর্মিতা, সাম্য ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত হয়। তাই যাকাত কেবল একটি অর্থনৈতিক বিধান নয়; এটি ঈমান, নৈতিকতা ও সামাজিক সংহতির এক অনন্য সমন্বয়।

পোস্টটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরও নিউজ
© All rights reserved © 2025 Barisal Crime Trace
Theme Customized By Engineer BD Network