বাবুগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
আপডেট সময় :
শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
বাবুগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের বাবুগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মুন্না সিকদার ওরফে হানিফ (২১)কে গ্রেপ্তার করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুলাদী উপজেলার মুলাদী বন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মুন্না সিকদার বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের কেদারপুর গ্রামের মৃত ছালাম সিকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এ দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পুলিশ...
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের বাবুগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও অপহরণ মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মুন্না সিকদার ওরফে হানিফ (২১)কে গ্রেপ্তার করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মুলাদী উপজেলার মুলাদী বন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মুন্না সিকদার বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের কেদারপুর গ্রামের মৃত ছালাম সিকদারের ছেলে। তার বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত)-এ দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর (ছদ্মনাম: সাদিয়া আক্তার) সঙ্গে আসামির আত্মীয়তার সম্পর্ক ও পূর্বপরিচয় ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, আসামি দীর্ঘদিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব ও বিয়ের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া ভুক্তভোগীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পূর্বে দায়ের হওয়া আরেকটি মামলা (জিআর নং-৩২/২০২৬) বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্বের মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর গত ১১ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আসামি সিএনজিযোগে ভুক্তভোগীকে অপহরণ করে নিয়ে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত তাকে নিজের হেফাজতে আটকে রাখা হয়।
ওসি মো. মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মুলাদী বন্দর এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।