বাবুগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ : চার মাস পর মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
আপডেট সময় :
শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
বাবুগঞ্জে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ : চার মাস পর মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি, একটি নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ (২৬)-কে প্রায় চার মাস পর গ্রেপ্তার করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া মাসুম বিল্লাহ নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চক হিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে...
সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের বাবুগঞ্জে ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি, একটি নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. মাসুম বিল্লাহ (২৬)-কে প্রায় চার মাস পর গ্রেপ্তার করেছে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া মাসুম বিল্লাহ নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চক হিয়াতপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার আল ইকরা দারুল উলুম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ১২ বছর বয়সী এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ঘুম থেকে ডেকে পর্দার আড়ালে নিয়ে বলাৎকার করেন অভিযুক্ত শিক্ষক। পরে শিশুটি বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তার বাবা বাদী হয়ে ১১ এপ্রিল বাবুগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগী শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে চলে যান।
বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন অভিযান চালানোর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৩১ জুলাই নাটোর জেলার সিংড়া থানা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মাসুম বিল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ১ আগস্ট তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।